Trendy News

Rohingya Attack In BD | প্রত্যন্ত অঞ্চলে রোহিঙ্গা আতঙ্ক

Rohingya Attack In BD | প্রত্যন্ত অঞ্চলে রোহিঙ্গা আতঙ্ক

(Rohingya) রোহিঙ্গা এই শব্দটি আমাদের কাছে খুবই পরিচিত একটি শব্দ। (Rohingya) রোহিঙ্গা বলতে আমরা জানি মায়ানমার থেকে বিতাড়িত সেই অসহায়-নিরীহ,উদ্বাস্তু মানুষগুলো। যারা নিজেদেরকে নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য,নিজেদের জীবন বাঁচানোর জন্য এসে ঠাই নিয়েছিলো আমাদের দেশে। আমাদের বাংলাদেশ সরকার তাদেরকে জায়গা দিয়েছিল আমাদের এই ভূখণ্ডে, ব্যবস্থা করেছিল তাদের জন্য খাদ্যের,বস্ত্রের, বাসস্থানের, চিকিৎসার, নিরাপত্তার এমনকি তাদের সকল প্রয়োজন মেটানোর জন্য বিশ্ব দরবার এর কাছে সাহায্য চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন আমাদের বাংলাদেশ সরকার

বিভিন্ন দেশ যেন তাদের অসহায় মুহূর্তে তাদেরকে সব রকম ভাবে মৌলিক প্রয়োজন মিটিয়ে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে সে আবেদন জানিয়েছিলেন আমাদের বাংলাদেশ সরকার। আর এই আবেদনে সাড়া দিয়েছিলেন বিভিন্ন দেশের সরকার বিভিন্ন রকম ভাবে অর্থ, খাদ্য,বস্ত্র আরো অনেক কিছু দিয়ে সাহায্য করেছিল এবং এখনো করে যাচ্ছে।

মায়ানমারে প্রতিটা মুহূর্ত তারা যে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিল যেভাবে তাদের কে গন হত্যা করা হচ্ছিল সেই সকল নির্যাতন থেকে আজ তারা মুক্ত অনেক শান্তিতে জীবন যাপন করছে বাংলাদেশে। তারা নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছে। পেয়েছে খাবাৰ, নিরাপত্তা, অসুস্থ তাই চিকিৎসা। তাই সকল দিক বিবেচনা করলে এটা দেখা যায় যে,তারা আজ অনেক ভালো আছে | মায়ানমারে কাটানো সেই ভয়ঙ্কর দুর্বিষহ জীবনের যাপনের থেকে। এখানে কেউই তাদের মৌলিক চাহিদা কেড়ে নিচ্ছে না তাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে না। তারা তাদের ইচ্ছা স্বাধীন ভাবে জীবন যাপন করতে পারছে|

rohingya

(Rohingya) রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাস মূলক কর্মকান্ডঃ

সেই অসহায় মুহূর্তে সাহায্য পাওয়া রোহিঙ্গারা আজ আমাদের দেশে একি সব অনৈতিক,সন্ত্রাসমূলক,দুর্নীতিমূলক কাজ করে চলেছে তারা। বিভিন্ন এলাকায় প্রায়ই রোহিঙ্গা ধরা পড়ছে । কারো বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে,ডাকাতি করতে গিয়ে ধরা পড়ছে তারা। আর এই সকল অনৈতিক কর্মকান্ড গুলো করতে গিয়ে তারা জনসাধারণের বিভিন্ন রকম দৈহিক আঘাতের দ্বারা তাদেরকে আহত করছে অনেকের প্রাণ সংশয় ঘটছে । বিভিন্ন রকম ছদ্মবেশ ধারণ করে তারা বিভিন্ন বাড়িতে প্রবেশ করছে এবং বিভিন্ন সাহায্য চাওয়ার নাম করে ঘরের ভেতর প্রবেশ করে সেই ঘরের লোকদেরকে আঘাত করে আহত করে দিচ্ছে এবং বিভিন্ন জিনিস, সম্পদ আত্মসাৎ করে নিয়ে চলে যাচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড করার সময় তারা অনেকেই ধরা পড়ে যাচ্ছে জনসাধারণের হাতে। তখন তাদের ওপর নির্যাতন করলে তারা ভয়ে বলে দিচ্ছে তারা রোহিঙ্গা এবং তারা কোন কোন জায়গা থেকে এসেছে । তাই আজ রোহিঙ্গা মানুষের মনে খুব বড় একটি আতংক সৃষ্টি করে দিয়েছে । নিজ গৃহে মানুষ এখন নিরাপদে থাকতে পারছে না, ভয় দুশ্চিন্তা নিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে মানুষদেরকে কখন না জানি তাদের বাড়িতে হামলা হয়! কি জানি কার প্রাণ সংশয় হয়! তাই সকলকে সতর্ক করার, সচেতন করার উদ্দেশ্যে এই কথাগুলো বলা।

Rohingya Attack

কিছু সর্তকতা অবলম্বন করিঃ

১.অপরিচিত কোন ব্যক্তি কে বাড়ির ভিতরে প্রবেশকরতে দেব না ।

২.বাড়ির আশপাশে সন্দেহজনক কাউকে দেখলে অবশ্যই লোকজন জড়ো করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করি।

৩.নিজেদের সন্তানদেরকে অপরিচিত লোকদের থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেয়।

৪.কোন রোহিঙ্গা ধরা পড়লে অবশ্যই সত্বর পুলিশে খবর দেব আইন নিজের হাতে তুলে নেব না।

আসুন আমরা সকলেই সারাদেশ কে সতর্ক করি, সাবধান করি সোশ্যাল মিডিয়ার , সংবাদপত্র, পুলিশ এগুলোর দ্বারা সারাদেশে রোহিঙ্গাদের এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কথা ছড়িয়ে দিন যাতে আর কেউই তাদের এ অনৈতিক কর্মকাণ্ডের শিকার না হয় এবং আমরা সবাই সরকারকেও আমাদের এই সমস্যা গুলোর কথা তুলে ধরি যেন সরকার খুব দ্রুত এই রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাতে রোহিঙ্গাদের দ্বারা আর কেউই বিপদগ্রস্ত না হয়।

 

আজ রোহিঙ্গাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রেখে যায় যে দেশ তাদের অসহায় মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিল তাদের খাদ্য,বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা করল আজ সে দেশের মানুষদের স্বাভাবিক জীবন যাপনে তারা বাধা সৃষ্টি করছে বিভিন্নভাবে বিপদগ্রস্ত করছে,এমনকি প্রাণ সংশয় পর্যন্ত ঘটাচ্ছে।

 

এটা তাদের কেমন প্রতিদান????????? কেমন মানসিকতার পরিচয়?????????????

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close